পারমাণবিক বিদ্যুতের পথে বড় অগ্রগতি, নভেম্বরে গ্রিডে সংযোগের লক্ষ্য

Table of content

Table of content

প্রাথমিক পরীক্ষা শুরু, দ্বিতীয় ইউনিট চালুর লক্ষ্য আগামী বছরের জুন

জাতীয় ডেস্ক | সংবাদ সারাদিন

বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে আগামী নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর লক্ষ্যে কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। এদিকে, দ্বিতীয় ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে জ্বালানি লোডিংয়ের কাজ ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে প্রকল্পের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রথম ইউনিট: নভেম্বরের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য

বৈঠকে জানানো হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর লক্ষ্যে কাজ চলছে। এ জন্য প্রকল্পের প্রাথমিক ভৌত পরীক্ষা ও ক্রিটিক্যালিটি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি, পরীক্ষার ফলাফল ও নিরাপত্তা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দ্বিতীয় ইউনিট: লক্ষ্য ২০২৭ সালের জুন

প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে জ্বালানি লোডিংয়ের কাজ আগামী বছরের জুনের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে—এমন তথ্য বৈঠকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতেও অগ্রগতির আলোচনা

বৈঠকে রূপপুর প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সুবিধা সম্প্রসারণ, দেশের প্রথম গবেষণা জাহাজ নির্মাণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান মেলার আয়োজন এবং দেশীয় উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর সভাপতিত্বে বৈঠকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামসহ কমিটির সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হবে। তবে ঘোষিত সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করছে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, নিরাপত্তা যাচাই ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার ওপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *