সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর | আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের সার্বিক নগর উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের নতুন জাতীয় নগর উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেশটি ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের (প্রায় ১ হাজার ৪শ কোটি টাকারও বেশি) সমপরিমাণ বিপুল অর্থ সাহায্য ও বিনিয়োগ করেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সারাহ কুক এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাথে যুক্তরাজ্যের সুদীর্ঘ ও প্রগাঢ় প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব বিদ্যমান। গত ১০ বছরে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে এই উন্নয়ন সহযোগিতা কোন কোন খাতগুলোতে আরও সম্প্রসারিত করা সম্ভব, সে বিষয়ে বৈঠকে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হাইকমিশনার জানান, নগর অবকাঠামোগত সহায়তার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক ঝুঁকি মোকাবিলা ও দীর্ঘমেয়াদী টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের পাশে অবস্থান জোরদার করছে যুক্তরাজ্য। বিশেষ করে উপকূলীয় সুন্দরবন এলাকাকে কেন্দ্র করে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং দেশের প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলের জলবায়ু সহনশীলতা ও স্থানীয় অর্থনীতি মজবুত করতে ব্রিটিশ সরকারের একাধিক উল্লেখযোগ্য প্রকল্প চলমান রয়েছে। দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে আগামী দিনেও এই টেকসই উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন সারাহ কুক।


