সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬
নিরাপদ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল AI ব্যবহারে গুরুত্ব
বাংলাদেশে দায়িত্বশীল, নিরাপদ ও মানবকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence – AI) ব্যবহারের লক্ষ্যে একটি জাতীয় AI নীতি প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে নাগরিকের অধিকার, তথ্যের নিরাপত্তা এবং নৈতিকতা নিশ্চিত করেই এই নীতি প্রণয়ন করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবিত নীতিতে সরকারি সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, গবেষণা এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে AI-এর কার্যকর ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হবে। একই সঙ্গে তথ্যের গোপনীয়তা, সাইবার নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার বিষয়গুলোও বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
সরকারের লক্ষ্য, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি এমন একটি নীতিমালা তৈরি করা, যা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং ভবিষ্যতের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুস্পষ্ট জাতীয় AI নীতি দেশের স্টার্টআপ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নিয়ে নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।
মূল বিষয়সমূহ
- বাংলাদেশে মানবকেন্দ্রিক জাতীয় AI নীতি প্রণয়নের কাজ চলছে।
- নিরাপদ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল AI ব্যবহারে গুরুত্ব।
- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সরকারি সেবায় AI ব্যবহারের পরিকল্পনা।
- তথ্যের গোপনীয়তা ও সাইবার নিরাপত্তা নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ।
সম্ভাব্য সুফল
- প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে নতুন গতি।
- স্টার্টআপ ও গবেষণা খাতের বিকাশ।
- সরকারি সেবার দক্ষতা বৃদ্ধি।
- ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণ।
- নিরাপদ ও নৈতিক AI ব্যবহারের পরিবেশ নিশ্চিত।


