সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬
দ্রুত, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সার্টিফিকেশন ব্যবস্থার প্রস্তাব
বাংলাদেশের হালাল পণ্য রপ্তানিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সহজতর করতে একটি একক জাতীয় হালাল সার্টিফিকেশন কর্তৃপক্ষ গঠনের দাবি জানিয়েছেন রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, বর্তমান ব্যবস্থায় হালাল সার্টিফিকেট পেতে দীর্ঘসূত্রতা, জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং অতিরিক্ত ব্যয় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে হালাল খাদ্য, প্রসাধনী, ওষুধ এবং অন্যান্য পণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তবে সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ার জটিলতা ও একাধিক প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের কারণে অনেক রপ্তানিকারক সময়মতো বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না।
তাদের দাবি, একটি জাতীয় পর্যায়ের একক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হালাল সার্টিফিকেশন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হলে সার্টিফিকেট প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, দ্রুত এবং ব্যয়সাশ্রয়ী হবে। এতে দেশের হালাল পণ্যের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক হালাল বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। আন্তর্জাতিক মানসম্মত সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা চালু করা গেলে দেশীয় উৎপাদক ও রপ্তানিকারকরা মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ এবং অন্যান্য বাজারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবেন।
এদিকে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করেছে, ব্যবসায়ীদের এই প্রস্তাব বিবেচনা করে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করবে, যাতে বাংলাদেশের হালাল শিল্প ও রপ্তানি খাত আরও গতিশীল হয়ে ওঠে।
মূল বিষয়সমূহ
- হালাল পণ্য রপ্তানিতে একক সার্টিফিকেশন কর্তৃপক্ষ গঠনের দাবি।
- সার্টিফিকেট পেতে জটিলতা ও অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ।
- আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান।
- দ্রুত, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সার্টিফিকেশন ব্যবস্থার প্রস্তাব।
- হালাল রপ্তানি খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি।
সম্ভাব্য সুফল
- সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হবে।
- রপ্তানিকারকদের সময় ও ব্যয় কমবে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে।
- হালাল শিল্পে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
- বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও রপ্তানি আয় বাড়বে।


