সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বহুল আলোচিত ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রী পান্নার নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, লকার সুবিধা, ফিক্সড ডিপোজিট রসিদ (এফডিআর) এবং বিদেশে শেল কোম্পানি গঠন বা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন ও বিনিয়োগসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও নথিপত্র চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ বরাবর একটি কঠোর চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম স্বাক্ষরিত এই চিঠিটি বিএফআইইউ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়, যা দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে বিশাল অংকের সম্পদ অর্জন, ভুঁইফোড় দেশীয় কোম্পানি গঠন, বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণের চেষ্টা কিংবা ভিনদেশে অর্থপাচারসহ বিভিন্ন গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। বিএফআইইউতে পাঠানো ওই চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির যাবতীয় আর্থিক বিবরণী দ্রুত সময়ের মধ্যে সরবরাহ করতে হবে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি তাঁর সাবেক দায়িত্বাধীন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন পদে পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার আরও একটি পৃথক অভিযোগের অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন।


