সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমনকি তাঁর জীবনের ঝুঁকিও থাকতে পারে।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের বাইরে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকেও তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমনকি তাঁর জীবনের ঝুঁকিও থাকতে পারে। তবুও তিনি দেশে ফিরে আদালতের সামনে আত্মসমর্পণ করতে চান বলে জানান।
বর্তমানে তিনি ভারতের অবস্থান করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব মামলার প্রেক্ষাপটেই তিনি দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার এই ঘোষণার ফলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি যদি সত্যিই দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করেন, তবে তা বাংলাদেশের রাজনীতি, বিচারিক কার্যক্রম এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরা এবং আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা এখনো একটি ঘোষণামাত্র। এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আইনি, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নানা বিষয় জড়িত থাকবে। পরিস্থিতির অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পদক্ষেপ।
এদিকে রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী কয়েক মাসে এ ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে।
মূল বিষয়সমূহ
- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
- দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন।
- তাঁর সঙ্গে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাও দেশে ফিরতে পারেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
- পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হবে কি না, তা ভবিষ্যতের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
সম্পাদকের নোট: এই প্রতিবেদনটি শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশে প্রত্যাবর্তন ও আত্মসমর্পণের বিষয়টি এখনো পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে; ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক অগ্রগতি বা নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে সংবাদটি হালনাগাদ করা হবে।


