শেয়ারবাজারে নতুন যুগের সূচনা, ইনট্রা-ডে ট্রেডিং চালুর অনুমোদন দিল বিএসইসি

Table of content

Table of content

সংবাদ সারাদিন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬

একই দিনে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ তৈরি হবে

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ারবাজারে ইনট্রা-ডে ট্রেডিং চালুর অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্ধারিত নিয়মের আওতায় বিনিয়োগকারীরা একই কার্যদিবসে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ পাবেন। কমিশনের মতে, এ উদ্যোগ বাজারে তারল্য বৃদ্ধি, লেনদেনের গতি বাড়ানো এবং আধুনিক বাজারব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে সহায়ক হবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, ইনট্রা-ডে ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারেজ হাউস এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করতে হবে। বাজারে অতিরিক্ত অস্থিরতা বা কারসাজির সুযোগ যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়েও নজরদারি জোরদার করা হবে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, উন্নত বিশ্বের অনেক শেয়ারবাজারেই ইনট্রা-ডে ট্রেডিং প্রচলিত রয়েছে। বাংলাদেশেও এ ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং লেনদেনের পরিমাণ বাড়তে পারে। তবে এর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের পর্যাপ্ত জ্ঞান ও সচেতনতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক লেনদেন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার আরও প্রতিযোগিতামূলক ও গতিশীল হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে বাজারের স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রক তদারকি শক্তিশালী রাখা জরুরি।


মূল বিষয়সমূহ

  • বিএসইসি শেয়ারবাজারে ইনট্রা-ডে ট্রেডিং চালুর অনুমোদন দিয়েছে।
  • একই দিনে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ তৈরি হবে।
  • ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
  • বাজারে তারল্য ও লেনদেনের গতি বাড়ার সম্ভাবনা।
  • বিনিয়োগকারীদের সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ।

ইনট্রা-ডে ট্রেডিং কী?

  • একই কার্যদিবসে শেয়ার ক্রয় ও বিক্রয়ের সুযোগ।
  • স্বল্পমেয়াদি বাজার পরিবর্তন থেকে লাভের সম্ভাবনা।
  • দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাজার পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • উচ্চ ঝুঁকির কারণে কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ।
  • নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত নীতিমালা মেনে লেনদেন পরিচালিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *