সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬
বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় কমাতে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দেশেই আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে বিদেশে চিকিৎসার জন্য মানুষের নির্ভরতা ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের চিকিৎসা খাতের অবকাঠামো, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং সেবার মান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। জনগণ যাতে দেশের হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারেন, সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর বহু মানুষ উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যান, যার ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা গেলে এই ব্যয় অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাত আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ, পেশাগত সততা এবং দায়িত্বশীল সেবা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার, গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জাম, দক্ষ চিকিৎসক, আধুনিক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যখাতে জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের মতে, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে দেশের মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা দেশেই গ্রহণ করতে পারবেন। এতে যেমন বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে, তেমনি স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।
মূল বিষয়সমূহ
- দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা বাড়ানোর আহ্বান।
- বিদেশে চিকিৎসা নির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্ব।
- স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ।
- চিকিৎসকদের মানবিক ও দায়িত্বশীল সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান।
- আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা সম্প্রসারণে জোর।
আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে
- উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ।
- বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়।
- সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মানোন্নয়ন।
- চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি।
- ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।
- গবেষণা ও চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়ন।


