নিজস্ব প্রতিবেদক | অর্থনীতি | ১২ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল ও প্যাকেটজাত চিনির সরবরাহে ঘাটতির খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে খোলা চিনি সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রকাশিত দ্য ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীর কিছু মুদি দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না বা সীমিত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা অনিয়মিত সরবরাহ ও কম মুনাফাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কেজিতে ১০–১৫ টাকা বেশি দামে চিনি
দ্য ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ চিনির সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১১০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিবেদনে উল্লেখিত দরে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের বর্তমান সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি লিটার ২০৪ টাকা। তবে খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, বিক্রিতে মুনাফা কমে যাওয়া এবং সরবরাহের অনিয়মিত পরিস্থিতির কারণে তাঁরা পণ্যটি মজুত রাখতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
সরকারি বাজারদরে চালের মূল্য
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বাজারদর পাতায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে ১১ অক্টোবর ঢাকার বাজারে মোটা চালের পাইকারি দাম প্রতি কেজি ৪৩–৪৫ টাকা এবং খুচরা দাম ৫০–৫২ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। আটা (খোলা) প্রতি কেজি পাইকারিতে ৪২–৪৬ টাকা এবং খুচরায় ৪৭–৫২ টাকা দেখানো হয়েছে।
এগুলো সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ১১ অক্টোবরের দাম; বাজার ও পণ্যের মানভেদে প্রকৃত বিক্রয়মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
ভোক্তাদের স্বার্থে নজরদারির গুরুত্ব
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে বাজার তদারকির গুরুত্ব বাড়ছে। পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মূল্যতালিকা অনুসরণ এবং অনিয়মের অভিযোগ যাচাই করা ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
বাজার পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র পেতে বিভিন্ন এলাকার দাম ও সরবরাহের তথ্য নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন।


