চীনের রাষ্ট্রদূত: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়

Table of content

Table of content

সংবাদ সারাদিন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২ জুলাই ২০২৬

“বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতেই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে”

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের বাহ্যিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারকে সম্মান করা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অন্যতম মৌলিক নীতি।

একটি কূটনৈতিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতেই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজস্ব উন্নয়নের পথ নির্ধারণের অধিকার রয়েছে এবং সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করা উচিত। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলাই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অন্যতম উপায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক বর্তমানে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হচ্ছে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের নিয়মিত যোগাযোগ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক সম্মান এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এ ধরনের অবস্থান আঞ্চলিক সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হতে পারে।

বাংলাদেশ ও চীন উভয় দেশই ভবিষ্যতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। বিশেষ করে বাণিজ্য, শিল্প, যোগাযোগ অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং প্রযুক্তি খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


মূল বিষয়সমূহ

  • বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য চীনের রাষ্ট্রদূতের।
  • সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতি পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ।
  • বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা।
  • বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা।
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার নীতির পুনর্ব্যক্ত।

সম্পাদকের নোট: বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বা এ বিষয়ে নতুন কোনো সরকারি বা কূটনৈতিক বিবৃতি প্রকাশিত হলে এই প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *