সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৬
নিরাপদ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল AI ব্যবহারে গুরুত্ব
বাংলাদেশে নিরাপদ, নৈতিক ও মানবকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence – AI) ব্যবহারের লক্ষ্যে জাতীয় AI নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়লেও এর নিরাপদ ও দায়িত্বশীল প্রয়োগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রস্তাবিত নীতিমালায় ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, নৈতিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সাইবার নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, শিল্প এবং সরকারি সেবায় AI প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের দিকনির্দেশনাও থাকবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, একটি সুসংহত জাতীয় AI নীতিমালা প্রণীত হলে বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং স্টার্টআপ খাত আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নিয়ে নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করা হচ্ছে।
মূল বিষয়সমূহ
- মানবকেন্দ্রিক জাতীয় AI নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগোচ্ছে।
- নিরাপদ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল AI ব্যবহারে গুরুত্ব।
- ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা ও সাইবার নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার।
- গবেষণা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিল্প খাতে AI ব্যবহারের পরিকল্পনা।
- প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে সরকারের উদ্যোগ।
সম্ভাব্য প্রভাব
- দায়িত্বশীল AI ব্যবহারের জাতীয় কাঠামো তৈরি হবে।
- প্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবন ও গবেষণার সুযোগ বাড়বে।
- ডিজিটাল অর্থনীতি ও স্টার্টআপ খাত আরও শক্তিশালী হবে।
- আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
- নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষা ও প্রযুক্তির ওপর আস্থা বাড়বে।


