নিজস্ব প্রতিবেদক | সংবাদ সারাদিন
বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার ও লেনদেন আইনগতভাবে অনুমোদিত নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তাও রয়েছে এ বিষয়ে। তবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের আন্তর্জাতিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্লকচেইন বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান চেইনালাইসিসের ২০২৫ গ্লোবাল ক্রিপ্টো অ্যাডপশন ইনডেক্সে ১৫১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। ২০২৪ সালের সূচকে দেশটির অবস্থান ছিল ৩৫তম।
কেন বাড়ছে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার?
অনলাইনভিত্তিক কাজ, আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং ডিজিটাল সম্পদের প্রতি তরুণদের আগ্রহকে ক্রিপ্টো ব্যবহারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) লেনদেনের সুযোগও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।
P2P ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচা করতে পারেন। তবে এ ধরনের লেনদেনে প্রতারণা, অর্থপাচার এবং আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অবস্থান কী?
বাংলাদেশ ব্যাংক বিটকয়েন, ইথেরিয়ামসহ ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সতর্ক করেছে। এসব মুদ্রা বাংলাদেশে বৈধ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃত নয়। ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেনে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ, অর্থপাচার প্রতিরোধ এবং গ্রাহকের আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
১৩তম অবস্থান মানেই কি ক্রিপ্টো বৈধ?
না। ক্রিপ্টো অ্যাডপশন সূচক কোনো দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধ কি না, তা নির্ধারণ করে না। বরং বিভিন্ন ক্রিপ্টো সেবায় মানুষের ব্যবহার ও লেনদেনের মাত্রা বিশ্লেষণ করে র্যাঙ্কিং তৈরি করা হয়।
প্রতিবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের চেইনালাইসিসের আরেকটি প্রতিবেদনে ভিন্ন পদ্ধতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬তম। তাই ১৩তম অবস্থানটি ২০২৫ সালের সূচকের তথ্য—এটিকে বর্তমান বছরের র্যাঙ্কিং হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
সংবাদ সারাদিন | সবার কথা বলে, সত্যের পথে চলে।


