শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা, আগামী পাঁচ বছরে ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য

Table of content

Table of content

সংবাদ সারাদিন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৬

আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা

জাতীয় সংসদের সমাপনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দক্ষ, সুস্থ ও আধুনিক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং দক্ষ জনবল বৃদ্ধি সরকারের অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

সংসদে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ দুই খাতকে শক্তিশালী করা হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে পরিকল্পনাগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেছেন।


মূল বিষয়সমূহ

  • আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা।
  • ব্যয় ধাপে ধাপে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য।
  • শিক্ষা অবকাঠামো, ডিজিটাল শিক্ষা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণে গুরুত্ব।
  • স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নের পরিকল্পনা।
  • মানবসম্পদ উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার।

সম্ভাব্য সুফল

  • শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন।
  • দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা।
  • আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার সম্প্রসারণ।
  • প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশ।
  • দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *