সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ সেপ্টেম্বর | আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোলমেশিনখ্যাত নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের অর্জনের মুকুটে যুক্ত হলো আরও এক অনন্য পালক। পেশাদার ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা ফরোয়ার্ড। এই অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়ার পথে আধুনিক ফুটবলের বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে অনেক ব্যবধানে পেছনে ফেলে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে কভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ১-০ গোলের কষ্টের জয়ের ম্যাচে ঐতিহাসিক এই রেকর্ডটি গড়েন তিনি। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে সতীর্থ আঁতোয়ান সেমেনিওর নিখুঁত ক্রস থেকে এক চমৎকার হেডে দলের জয়সূচক গোল নিশ্চিত করেন ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
যেভাবে এমবাপ্পে-রোনালদোকে ছাড়িয়ে গেলেন হালান্ড: পেশাদার ক্লাব ফুটবলে ৩০০ গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে হালান্ডের লেগেছে মাত্র ৩৮৪ ম্যাচ। ফুটবল ইতিহাসে এই তালিকার শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি (৩৬৫ ম্যাচ) সামান্য এগিয়ে থাকলেও, রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে (৩৯৮ ম্যাচ) এবং পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে (৪৯৯ ম্যাচ) বেশ বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলেছেন হালান্ড।
চারটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে এই গোলগুলো করেছেন তিনি—
মোলদে: ২০ গোল
রেড বুল সলজবুর্গ: ২৯ গোল
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড: ৮৬ গোল
ম্যানচেস্টার সিটি: ১৬৫ গোল
আগুয়েরোকে টপকে সিটির ইতিহাসে নতুন হেডিং রেকর্ড একই রাতে ৩০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার পাশাপাশি প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির জার্সি গায়ে হেডে সর্বোচ্চ ২০টি গোলের রেকর্ড গড়েছেন হালান্ড। এর মাধ্যমে তিনি ক্লাবটির আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি সার্জিও আগুয়েরোকে (১৯টি হেড গোল) অতিক্রম করেছেন।
মাইলফলকের রাত হলেও নিজের সুযোগ নষ্ট করা নিয়ে ম্যাচ শেষে কিছুটা অনুশোচনা প্রকাশ করেন হালান্ড। তিনি বলেন, “ম্যাচটি আগেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে আমার আরও গোল করা উচিত ছিল। সুযোগ হাতছাড়া করায় শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ খেলায় টিকে ছিল। প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে যেকোনো মুহূর্তেই পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে।”
হালান্ডের এই ঐতিহাসিক গোলেই চলতি প্রিমিয়ার লিগে টানা তিন ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কোচ এনজো মারেস্কার শিষ্যরা।


