সংবাদ সারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬
শিশুদের জন্য এক ডোজের টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে
দেশের শিশুদের সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা আরও জোরদার করতে আগামী আগস্ট মাস থেকে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) এক ডোজের টাইফয়েড টিকা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাইফয়েড প্রতিরোধে আরও কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, টাইফয়েড এখনও বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। নতুন টিকা অন্তর্ভুক্ত হলে শিশুদের মধ্যে এ রোগের ঝুঁকি কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে হাসপাতালে ভর্তি ও জটিলতার হারও হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে টাইফয়েড টিকা সংযোজন দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে পর্যায়ক্রমে টিকা সরবরাহ, সংরক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে শিশুদের এই টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় টাইফয়েড টিকা যুক্ত হওয়ার ফলে শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভবিষ্যতে টাইফয়েডের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।
মূল বিষয়সমূহ
- আগস্ট থেকে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে টাইফয়েড টিকা যুক্ত হচ্ছে।
- শিশুদের জন্য এক ডোজের টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে।
- টাইফয়েড প্রতিরোধে এটি জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
- সারাদেশে টিকা বিতরণ ও বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে।
- অভিভাবকদের সময়মতো শিশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্ভাব্য সুফল
- শিশুদের টাইফয়েড সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।
- হাসপাতালে ভর্তি ও জটিলতা হ্রাস পাবে।
- জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি আরও শক্তিশালী হবে।
- জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রোগ প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
- দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে।


