নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের বক্তব্য

ভোট গ্রহণের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার পরও ঢাকা-১৫ আসনে ২০ দলীয় জোট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা: শফিকুর রহমানের নির্বাচনী কাজে বাধাদান, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা, সন্ত্রাস, অপহরণ ও মহিলাকর্মীসহ নির্বিচারে গ্রেফতার আরো বৃদ্ধি পাওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ এবং গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

এক বিবৃতিতে গতকাল তিনি বলেন, গণবিরোধী সরকার ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে এখন অস্থির হয়ে উঠেছে। অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো দূরের কথা বিরোধী দলকে নির্বাচনী প্রচারণার ন্যূনতম সুযোগও দেয়া হয়নি বরং সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে সারা দেশেই বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে। বিরোধী দলীয় প্রার্থীসহ নেতাকর্মীদের ওপর চালানো হয়েছে হামলা, মামলা ও গণহারে গ্রেফতার এবং সে ধারা এখনো অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত হাজার হাজার বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীসহ ১৬ জন বিরোধীদলীয় প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিঘাংসা ও প্রতিহিংসা থেকে রেহাই পাননি পর্দানশীন নারীরাও। ক্ষেত্রবিশেষে তারা নিজেরাই বোমাবাজি করে তার দায়ভার চাপানো হচ্ছে ২০ জোট নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। মূলত সরকার ৫ জানুয়ারি আদলে আবার নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন ও দলীয় প্রশাসন। তাই বর্তমান কমিশন ও প্রশাসনের অধীনে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সম্ভবনা খুবই ক্ষীণ।

তিনি বলেন, নির্বাচনের দিনক্ষণ এগিয়ে এলেও এখনো বিরোধী দলের ওপর দলন-পীড়ন, হামলা-মামলা ও গণগ্রেফতার এখনো বন্ধ হচ্ছে না। ২৭ ডিসেম্বর/২০১৮ সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাফরুল এলাকা থেকে ২০ দলীয় জোট নেতা আবুল বাশার, ধানের শীষ প্রতীকের মহিলাকর্মী মীর্জা আজিজা, খালেদা আখতার ও উম্মে খাদিজা রুমীসহ ৫ পর্দানশীন মহিলা নির্বাচনী কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি।

একই দিনে নির্বাচনী কর্মী হাফেজ শাফায়েত ও হাফেজ নূরুল হুদাকে ভাষানটেক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাত ৮টায় মিরপুর ১৩ নং থেকে নির্বাচনী প্রচারণার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, মাওলানা ইউসুফ, আসাদুল্লাহ আল গালীব, খায়রুল কবির ও আব্দুস সালাম নামের পাঁচজন ধানের শীষ প্রতীকের কর্মীকে, যা সরকারের ফ্যাসিবাদী-স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতা এবং নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের উদাসীনতাকে স্পষ্ট করে তোলে। তিনি সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে পর্দানশীন মহিলাসহ ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী কর্মীদের গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং ৩০ ডিসেম্বর/২০১৮ আগেই গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। বিজ্ঞপ্তি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বাগতম

আপনাদের অনুপ্রেরণায় আমাদের পথচলা

অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ সারদিন এর সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

shares